শনিবার, ১১ Jul ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটির ১০টি উপজেলার মধ্যে ৬টি উপজেলা নদীপথে। এসব উপজেলার বেশিরভাগ মানুষের বসতি নদীতীরবর্তী এলাকায়। তাই প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে বন্যাকবলিত হয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাঘাইছড়ি, বিলাইছড়ি ও বরকল উপজেলার মানুষ। এ বছরও তার ব্যতিক্রম নয়। সম্প্রতি টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সবচেয়ে বেশি প্লাবিত হয়েছে বাঘাইছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল। পানিবন্দি হয়েছে প্রায় ৩০টি গ্রামের ২ হাজার ৩৬৬ জন মানুষ। তাদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে খোলা হয়েছে প্রায় ১৩টি আশ্রয়কেন্দ্র। একই অবস্থা অপর দুই উপজেলা বিলাইছড়ি ও বরকলেও। বিলাইছড়িতে খোলা হয়েছে ৪টি আশ্রয়কেন্দ্র। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষ আশ্রয় নিয়েছে ১৮৩ জন। এছাড়া বরকলে খোলা হয়েছে ৩টি আশ্রয়কেন্দ্র। সেখানেও মানুষ আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ১৫২ জন।
বানভাসিদের সহযোগিতায় এরই মধ্যে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে রাঙামাটি জেলা পরিষদ, রাঙামাটির জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও জেলা বিএনপির অঙ্গসংগঠন। এছাড়া বানভাসিদের পানিবাহিত রোগের চিকিৎসা দিতে বিশেষ চিকিৎসক দল গঠন করেছে জেলা সিভিল সার্জন।
রাঙামাটি জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (ডিআরআরও) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৪৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ১ হাজার ৪৪৪ পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়া যারা আশ্রয়কেন্দ্রে আছে, তাদের তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এছাড়া বিলাইছড়ির বানভাসিদের জন্য ২৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হবে। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ১৮৩ জনকে তিন বেলা খাবার প্রদান করা হচ্ছে। আর বরকলে ৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৫২ জন আশ্রয় নিয়েছে। তাদেরও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বন্যায় পানিবন্দিদের ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে।