বৃহস্পতিবার, ০৯ Jul ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
শাহমিজ বকুলকে মেহেরপুর জেলা সমিতির শুভেচ্ছা মেহেরপুর জেলার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক প্রফেসর ড. আব্দুর রশিদকে ফুলেল শুভেচ্ছা ‘ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ধরিয়ে দিতে পারলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার’ গাংনীতে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এমপি তাজউদ্দীন খানের নিরলস প্রচেষ্টার ফল: রেলপথ পাচ্ছে মেহেরপুর মেহেরপুর জেলা সমিতির উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী, বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান মেহেরপুর জেলা সমিতি, ঢাকার নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত; উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত মেহেরপুর সদর উপজেলায় টিআর ও কাবিখা কর্মসূচির আওতায় সাড়ে ৩৩ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন গাংনী র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার কে.এম.এ. মামুন খান চিশতীকে বিদায় সংবর্ধনা মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সিন্ধু নদে বাঁধ দিলে ভারতে হামলার হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

সিন্ধু নদের পানিপ্রবাহ বন্ধ করতে ভারত যদি কোনও বাঁধ কিংবা এ জাতীয় কোনও স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ নেয়, সেক্ষেত্রে পাকিস্তান সামরিক হামলা চালাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহম্মদ আসিফ।

শুক্রবার পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের ‘নয়া পাকিস্তান’ টেলিভিশন প্রোগ্রামে অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন খাজা আসিফ।

সেখানে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “শুধু বন্দুকের গুলি বা কামানের গোলা ছুড়লেই আগ্রাসন হয় না। বহুভাবে আগ্রাসন চালানো যায়।

যেমন সিন্ধু নদের পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দেওয়া বা পানিপ্রবাহকে ভিন্নপথে চালিত করাও একপ্রকার আগ্রাসন। কারণ এর ফলে ক্ষুধা ও তৃষ্ণার কারণে মৃত্যু হবে লাখ লাখ মানুষের। ”

 

“তাই সিন্ধু নদের পানিপ্রবাহ আটকাতে যদি তারা (নয়াদিল্লি) বাঁধ বা এই জাতীয় স্থাপনা নির্মাণ শুরু করে— সেক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবেই আমরা আঘাত করব এবং সেই স্থাপনা ধ্বংস করব,” বলেন খাজা আসিফ।

“তবে আপাতত আমরা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে বিষয়টি (সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি) নিয়ে আলোচনা করছি এবং নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি,” যোগ করেন তিনি।

গত ২২ এপ্রিল ভারতের জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের পেহেলগাঁও জেলার বৈসরণ তৃণভূমিতে পর্যটকদের ওপর হামলা হামলার ঘটনা ঘটে।

স্বয়ংক্রিয় রাইফেল নিয়ে হামলাকারীরা অন্তত ২৬ পর্যটককে গুলি করে হত্যা করে, আহত হন আরও বেশ কয়েকজন। নিহতরা সবাই পুরুষ। বস্তুত, ২২ এপ্রিলের হামলা ছিল ২০১৯ সালের পুলোয়ামা হামলার পর জম্মু-কাশ্মীরে সবচেয়ে বড় প্রাণঘাতী হামলা।

 

ভয়াবহ এই হামলার জন্য সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করে ভারত এবং তাৎক্ষণিকভাবে সিন্ধু নদের পানিবণ্টন চুক্তি স্থগিত, দূতাবাস থেকে কূটনীতিকদের ফিরিয়ে আনা, ভারতে অবস্থানরত পাকিস্তানিদের ভিসা বাতিলসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয় নয়াদিল্লি।

এদিকে পেহেলগাঁও হামলার সঙ্গে নিজেদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইসলামাবাদ। সেই সঙ্গে নয়াদিল্লির শাস্তিমূলক পদক্ষেপের পাল্টা জবাব হিসেবে ভারতের জন্য নিজেদের স্থল ও আকাশসীমা বন্ধ, পাকিস্তানে অবস্থানরত ভারতীয়দের ভিসা বাতিল, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য স্থগিতসহ একাধিক পদক্ষেপ নেয় পাকিস্তানও। এ ঘটনাকে ঘিরে বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। সূত্র: জিও নিউজ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved Meherpur Sangbad © 2025